বাংলাদেশের জাতীয় যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা
০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৫:৩৫ মিনিট
বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের জাতীয় যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থায় নিম্নলিখিত ব্যবস্থাগুলো রয়েছে: সড়ক পরিবহন: সড়ক পরিবহন বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রধান মাধ্যম। বাংলাদেশের সড়ক নেটওয়ার্কের দৈর্ঘ্য প্রায় ২ লাখ কিলোমিটার।
এই নেটওয়ার্কের মধ্যে রয়েছে জাতীয় মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়ক, জেলা সড়ক, উপজেলা সড়ক এবং গ্রামীণ সড়ক।
রেল পরিবহন: রেল পরিবহন বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম যোগাযোগ মাধ্যম। বাংলাদেশের রেল নেটওয়ার্কের দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার। এই নেটওয়ার্কের মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম-ঢাকা রেলপথ, রাজশাহী-ঢাকা রেলপথ এবং খুলনা-ঢাকা রেলপথ।
জল পরিবহন: জল পরিবহন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। বাংলাদেশের নদীপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫ হাজার কিলোমিটার। এই নদীপথগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে।
বিমান পরিবহন: বিমান পরিবহন বাংলাদেশের একটি আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা ১১টি। এছাড়াও, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রয়েছে ৯টি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর।
বাংলাদেশ একটি দীর্ঘ সৈকত, নদী এবং বনভূমি সহ একটি বিস্তৃত দেশ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করা দেশের উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে, মানুষ, পণ্য এবং পরিষেবাগুলি সহজেই দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাতায়াত করতে পারে। এটি ব্যবসা এবং বাণিজ্যকে উৎসাহিত করে, অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করে।
বাংলাদেশ সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- নতুন নতুন সড়ক নির্মাণ এবং পুরাতন সড়ক সংস্কার করা হচ্ছে।
- রেলপথ নির্মাণ এবং সংস্কার করা হচ্ছে।
- নদীপথের উন্নয়ন করা হচ্ছে।
- বিমানবন্দর নির্মাণ এবং উন্নয়ন করা হচ্ছে।
এই পদক্ষেপগুলোর ফলে বাংলাদেশের জাতীয় যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে। বর্তমানে, বাংলাদেশের সড়ক নেটওয়ার্কের দৈর্ঘ্য প্রায় ২ লাখ কিলোমিটার। রেল নেটওয়ার্কের দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার। নদীপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫ হাজার কিলোমিটার। এবং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা ১১টি।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখা
একটি ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে, ব্যবসা এবং বাণিজ্যকে উৎসাহিত করা যায়। এটি পণ্য এবং পরিষেবাগুলির সরবরাহ ও বিতরণকে সহজ করে এবং খরচ কমায়। এটি বিনিয়োগকে আকর্ষণ করে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। বাংলাদেশের জাতীয় যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই ব্যবস্থা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করে, ব্যবসা এবং বাণিজ্যকে উৎসাহিত করে এবং বিনিয়োগকে আকর্ষণ করে।
জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা
একটি ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করে। একটি ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে, মানুষ দ্রুত এবং সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করতে পারে। এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য সামাজিক সুবিধাগুলিতে জনগণের প্রবেশাধিকারকে সহজ করে। বাংলাদেশের জাতীয় যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই ব্যবস্থা মানুষের যোগাযোগ এবং ভ্রমণকে সহজ করে তোলে, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবাতে তাদের প্রবেশাধিকারকে সহজ করে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করে। আরও বিস্তারিত বাংলাদেশের জাতীয় যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য আরও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে: সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা। রেল পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিকায়ন করা। জল পরিবহন ব্যবস্থায় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। বিমান পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও সাশ্রয়ী করা। এই পদক্ষেপগুলোর ফলে বাংলাদেশের জাতীয় যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হবে।
বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার উপর অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারণে সড়ক পরিবহনের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সড়ক ব্যবস্থার উন্নয়নের হার চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে, সড়কে যানজট, দুর্ঘটনা এবং দূষণের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
এই সমস্যা সমাধানের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে:
- নতুন নতুন সড়ক নির্মাণ এবং পুরাতন সড়ক প্রশস্ত করা।
- সড়ক ব্যবস্থায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা।
- সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা।
রেল পরিবহন ব্যবস্থার অবকাঠামোগত অভাব বাংলাদেশের রেল পরিবহন ব্যবস্থার অবকাঠামোগত অভাব রয়েছে। রেলপথের দৈর্ঘ্য দেশের আয়তনের তুলনায় খুবই কম। এছাড়াও, রেলপথগুলোর বেশিরভাগই পুরনো এবং অবকাঠামোগতভাবে উন্নত নয়। ফলে, রেল পরিবহনের ব্যবহারকারী সংখ্যা কম। এই সমস্যা সমাধানের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে: নতুন নতুন রেলপথ নির্মাণ করা। পুরাতন রেলপথ সংস্কার করা। রেল পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিকায়ন করা। জল পরিবহন ব্যবস্থার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাব বাংলাদেশের জল পরিবহন ব্যবস্থার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাব রয়েছে। নদীপথগুলোর বেশিরভাগই অবৈধ দখলদারদের দখলে। এছাড়াও, নৌযানগুলোর বেশিরভাগই পুরনো এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না। ফলে, জল পরিবহন ব্যবস্থায় দুর্ঘটনা এবং দূষণের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
এই সমস্যা সমাধানের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে: নদীপথগুলোকে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত করা। নৌযানগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা। জল পরিবহন ব্যবস্থায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা। বিমান পরিবহন ব্যবস্থার উচ্চ খরচ বাংলাদেশের বিমান পরিবহন ব্যবস্থার উচ্চ খরচ রয়েছে। ফলে, সাধারণ মানুষের পক্ষে বিমান পরিবহন ব্যবহার করা সম্ভব নয়। এই সমস্যা সমাধানের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে: বিমান পরিবহন ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করা। বিমান ভাড়া কমানো। বিমান পরিবহন ব্যবস্থায় ভর্তুকি প্রদান করা। এই পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারণে সড়ক পরিবহনের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সড়ক ব্যবস্থার উন্নয়নের হার চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে, সড়কে যানজট, দুর্ঘটনা এবং দূষণের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। কারণ: জনসংখ্যা বৃদ্ধি অর্থনৈতিক উন্নয়ন সড়ক ব্যবস্থার উন্নয়নের হারের সাথে চাহিদার সামঞ্জস্যহীনতা প্রভাব: যানজট দুর্ঘটনা দূষণ সমাধান: নতুন নতুন সড়ক নির্মাণ এবং পুরাতন সড়ক প্রশস্ত করা সড়ক ব্যবস্থায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা রেল পরিবহন ব্যবস্থার অবকাঠামোগত অভাব বাংলাদেশের রেল পরিবহন ব্যবস্থার অবকাঠামোগত অভাব রয়েছে। রেলপথের দৈর্ঘ্য দেশের আয়তনের তুলনায় খুবই কম। এছাড়াও, রেলপথগুলোর বেশিরভাগই পুরনো এবং অবকাঠামোগতভাবে উন্নত নয়। ফলে, রেল পরিবহনের ব্যবহারকারী সংখ্যা কম। কারণ: রেলপথের দৈর্ঘ্যের তুলনায় রেল পরিবহনের ব্যবহারকারী সংখ্যা কম রেলপথগুলোর অধিকাংশই পুরনো এবং অবকাঠামোগতভাবে উন্নত নয় প্রভাব: রেল পরিবহনের ব্যবহারকারী সংখ্যা কম রেল পরিবহনের মাধ্যমে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন হ্রাস সমাধান: নতুন নতুন রেলপথ নির্মাণ করা পুরাতন রেলপথ সংস্কার করা রেল পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিকায়ন করা জল পরিবহন ব্যবস্থার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাব বাংলাদেশের জল পরিবহন ব্যবস্থার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাব রয়েছে। নদীপথগুলোর বেশিরভাগই অবৈধ দখলদারদের দখলে। এছাড়াও, নৌযানগুলোর বেশিরভাগই পুরনো এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না। ফলে, জল পরিবহন ব্যবস্থায় দুর্ঘটনা এবং দূষণের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। কারণ: নদীপথগুলোর অবৈধ দখল নৌযানগুলোর পুরনো এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব প্রভাব: দুর্ঘটনা দূষণ সমাধান: নদীপথগুলোকে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত করা নৌযানগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা জল পরিবহন ব্যবস্থায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা বিমান পরিবহন ব্যবস্থার উচ্চ খরচ বাংলাদেশের বিমান পরিবহন ব্যবস্থার উচ্চ খরচ রয়েছে। ফলে, সাধারণ মানুষের পক্ষে বিমান পরিবহন ব্যবহার করা সম্ভব নয়। কারণ: বিমান ভাড়ার উপর সরকারের উচ্চ কর বিমান পরিবহন ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতার অভাব প্রভাব: সাধারণ মানুষের পক্ষে বিমান পরিবহন ব্যবহার করা সম্ভব নয় বিমান পরিবহনের মাধ্যমে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন হ্রাস সমাধান: বিমান ভাড়ায় সরকারের কর কমানো বিমান পরিবহন ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করা।
বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারণে সড়ক পরিবহনের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সড়ক ব্যবস্থার উন্নয়নের হার চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে, সড়কে যানজট, দুর্ঘটনা এবং দূষণের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। কারণ: জনসংখ্যা বৃদ্ধি অর্থনৈতিক উন্নয়ন সড়ক ব্যবস্থার উন্নয়নের হারের সাথে চাহিদার সামঞ্জস্যহীনতা প্রভাব: যানজট দুর্ঘটনা দূষণ সমাধান: নতুন নতুন সড়ক নির্মাণ এবং পুরাতন সড়ক প্রশস্ত করা সড়ক ব্যবস্থায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা বিস্তারিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারণে বাংলাদেশের সড়ক পরিবহনের চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২২ সালের হিসাবে, বাংলাদেশের মোট সড়কপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ২ লাখ কিলোমিটার। এই সড়কপথের বেশিরভাগই সড়ক বিভাগের অধীনে রয়েছে। তবে, কিছু সড়কপথ স্থানীয় সরকারের অধীনে রয়েছে। সড়ক পরিবহনের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে সড়কের উপর চাপও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে, যানজট, দুর্ঘটনা এবং দূষণের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যানজট একটি গুরুতর সমস্যা। যানজটের কারণে মানুষের সময় ও অর্থ নষ্ট হয়। এছাড়াও, যানজট পরিবেশ দূষণের একটি বড় কারণ। দুর্ঘটনা একটি অন্যতম সমস্যা। সড়ক দুর্ঘটনার কারণে প্রতি বছর বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ মারা যায় এবং লাখ লাখ মানুষ আহত হয়। দূষণ একটি বড় সমস্যা। সড়ক পরিবহনের মাধ্যমে দূষণের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সড়কের উপর চাপ কমাতে এবং যানজট, দুর্ঘটনা এবং দূষণের সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে: নতুন নতুন সড়ক নির্মাণ এবং পুরাতন সড়ক প্রশস্ত করা সড়ক ব্যবস্থায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা নতুন নতুন সড়ক নির্মাণ এবং পুরাতন সড়ক প্রশস্ত করা সড়কের উপর চাপ কমাতে সরকার নতুন নতুন সড়ক নির্মাণ এবং পুরাতন সড়ক প্রশস্ত করছে। এই পদক্ষেপের ফলে সড়কের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং সড়কের উপর চাপ কমবে। সড়ক ব্যবস্থায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা যানজট কমাতে সরকার সড়ক ব্যবস্থায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করছে। এই পদক্ষেপের ফলে সড়কে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ বাড়বে এবং যানজট কমবে। সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা দূষণ কমাতে সরকার সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এই পদক্ষেপের ফলে পরিবেশ দূষণের পরিমাণ কমবে। এই পদক্ষেপগুলোর ফলে সড়কের উপর চাপ কমবে এবং যানজট, দুর্ঘটনা এবং দূষণের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে।
বাংলাদেশ সরকার সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- নতুন নতুন সড়ক নির্মাণ এবং পুরাতন সড়ক সংস্কার সড়ক পরিবহনের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং সড়কের অবস্থার অবনতি হওয়ায় সরকার নতুন নতুন সড়ক নির্মাণ এবং পুরাতন সড়ক সংস্কার করছে।
এই পদক্ষেপের ফলে সড়কের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং সড়কের অবস্থার উন্নতি হবে। সড়ক ব্যবস্থায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা যানজট কমাতে সরকার সড়ক ব্যবস্থায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করছে। এই পদক্ষেপের ফলে সড়কে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ বাড়বে এবং যানজট কমবে। সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা দূষণ কমাতে সরকার সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এই পদক্ষেপের ফলে পরিবেশ দূষণের পরিমাণ কমবে। রেল পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য সরকারের পদক্ষেপ রেল পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে: নতুন নতুন রেলপথ নির্মাণ এবং পুরাতন রেলপথ সংস্কার রেল পরিবহন ব্যবস্থার অবকাঠামোগত অভাব থাকায় সরকার নতুন নতুন রেলপথ নির্মাণ এবং পুরাতন রেলপথ সংস্কার করছে। এই পদক্ষেপের ফলে রেলপথের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পাবে এবং রেল পরিবহনের ধারণক্ষমতা বাড়বে। রেল পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিকায়ন করা রেল পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিকায়ন করার জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে ট্রেনগুলোকে বিদ্যুৎচালিত করা, রেলপথের সংকেত ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা, এবং রেল স্টেশনগুলোকে আধুনিকায়ন করা। জল পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য সরকারের পদক্ষেপ জল পরিবহন ব্যবস্থার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাব থাকায় সরকার জল পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে: নদীপথের উন্নয়ন নদীপথের অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং নদীপথের সংস্কার করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপের ফলে নদীপথের ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্ঘটনা কমবে। নৌযানের আধুনিকায়ন নৌযানগুলোকে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা এবং নৌযানগুলোকে আরও আধুনিক করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপের ফলে নৌযানের স্থায়িত্ব বাড়বে এবং দূষণ কমবে। বিমান পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য সরকারের পদক্ষেপ বিমান পরিবহন ব্যবস্থার উচ্চ খরচ থাকায় সরকার বিমান পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে: নতুন নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ এবং অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরের উন্নয়ন নতুন নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ এবং অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরের উন্নয়ন করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপের ফলে বিমান পরিবহন ব্যবস্থার ধারণক্ষমতা বাড়বে এবং খরচ কমবে। বিমান ভাড়ায় সরকারের কর কমানো বিমান ভাড়ায় সরকারের কর কমানো হচ্ছে। এই পদক্ষেপের ফলে বিমান পরিবহন ব্যবস্থার খরচ কমবে। এই পদক্ষেপগুলোর ফলে বাংলাদেশের জাতীয় যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি হবে।