বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের ইতিহাস, অর্থ, এবং গুরুত্ব

News Depend Desk

প্রতিনিধিঃ ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ জানুয়ারী ২০২৪ ০৩:৩৪ মিনিট


পোস্ট ফটো

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি" একটি গৌরবময় ঐতিহ্য। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং এটি এখনও বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেন ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে। সেই সময়, ভারতবর্ষ ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল এবং বঙ্গভঙ্গের ফলে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। এই সিদ্ধান্ত বাঙালি জাতীয়তাবাদীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি করেছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানটি রচনা করেছিলেন বাঙালি জাতির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে প্রকাশ করার জন্য। এই গানটিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বাঙালি জাতির ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, "আমার সোনার বাংলা" গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গীত হয়ে ওঠে। এই গানটি বাঙালিদেরকে যুদ্ধে লড়াই করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য একটি প্রতীক হয়ে ওঠে। এই গানটিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা রয়েছে। এই গানটিতে বাংলাদেশের সবুজ মাঠ, নীল আকাশ, এবং পদ্মার সৌন্দর্য বর্ণনা করা হয়েছে। এই বর্ণনাগুলি বাঙালিদেরকে তাদের দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা অনুভব করতে সাহায্য করে। এই গানটিতে বাঙালি জাতির ঐতিহ্যের বর্ণনা রয়েছে। এই গানটিতে বাঙালিদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, এবং ভাষার বর্ণনা করা হয়েছে। এই বর্ণনাগুলি বাঙালিদেরকে তাদের জাতীয় পরিচয়ের প্রতি গভীর গর্ব অনুভব করতে সাহায্য করে। এই গানটিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার বর্ণনা রয়েছে। এই গানটিতে বাঙালিদের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করা হয়েছে। এই আকাঙ্ক্ষাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালিদেরকে অনুপ্রাণিত করেছিল। "আমার সোনার বাংলা" গানটি বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ঐতিহ্য, এবং সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। এই গানটি বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং এটি এখনও বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই গানটি বাংলাদেশের ইতিহাস এবং সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের ইতিহাস ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে শুরু হয়। সেই সময়, বাঙালি জাতীয়তাবাদীরা একটি গান রচনা করেছিলেন যা বাংলার স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে। এই গানটি "আমার সোনার বাংলা" নামে পরিচিতি লাভ করে।  


বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের ইতিহাস

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" একটি গৌরবময় ঐতিহ্য। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং এটি এখনও বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেন ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে। সেই সময়, ভারতবর্ষ ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল এবং বঙ্গভঙ্গের ফলে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। এই সিদ্ধান্ত বাঙালি জাতীয়তাবাদীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি করেছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানটি রচনা করেছিলেন বাঙালি জাতির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে প্রকাশ করার জন্য। এই গানটিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বাঙালি জাতির ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।


১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদ

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের ফলে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলকে দুটি প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল: পূর্ববঙ্গ ও আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গ। এই সিদ্ধান্ত বাঙালি জাতীয়তাবাদীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি করেছিল। বাঙালি জাতীয়তাবাদীরা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। এর মধ্যে একটি পদক্ষেপ ছিল একটি গান রচনা করা যা বাংলার স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করবে।


১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, "আমার সোনার বাংলা" গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গীত হয়ে ওঠে। এই গানটি বাঙালিদেরকে যুদ্ধে লড়াই করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য একটি প্রতীক হয়ে ওঠে।


বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি এই গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। এই গানটি বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ঐতিহ্য, এবং সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। এই গানটি বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" একটি গৌরবময় ঐতিহ্য। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং এটি এখনও বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদানের ফসল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানটি রচনা করেছিলেন বাঙালি জাতির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে প্রকাশ করার জন্য। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালিদেরকে অনুপ্রাণিত করেছিল এবং এটি এখনও বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা।


১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, "আমার সোনার বাংলা" গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গীত হয়ে ওঠে। এই গানটি বাঙালিদেরকে যুদ্ধে লড়াই করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য একটি প্রতীক হয়ে ওঠে। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, "আমার সোনার বাংলা" গানটি বাঙালিদেরকে যুদ্ধে লড়াই করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য একটি প্রতীক হয়ে ওঠে। এই গানটি বাঙালিদেরকে তাদের মাতৃভূমির জন্য লড়াই করার জন্য এবং তাদের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল। এই গানটি যুদ্ধের সময় বিভিন্ন স্থানে গাওয়া হত। মুক্তিযোদ্ধারা এই গানটি গাইতে গাইতে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ত। বাঙালি জনগণও এই গানটি গাইতে গাইতে যুদ্ধের সময় তাদের সাহস ও আশাবাদ ধরে রাখত। এই গানটিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বাঙালি জাতির ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই গানটি বাঙালিদের মনে তাদের মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও সংহতি জাগ্রত করেছিল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) গণহত্যা শুরু করে। এই গণহত্যা বাঙালিদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি করে। বাঙালিরা পাকিস্তানি শাসন থেকে মুক্তি পেতে চাইত। এই প্রেক্ষাপটে, "আমার সোনার বাংলা" গানটি বাঙালিদেরকে যুদ্ধে লড়াই করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল। এই গানটি বাঙালিদেরকে মনে করিয়ে দিয়েছিল যে তাদের একটি স্বাধীন দেশ রয়েছে এবং তারা সেই দেশকে স্বাধীন করার অধিকার রাখে।


গানের কিছু নির্দিষ্ট পঙ্ক্তি যা বাঙালিদেরকে যুদ্ধে লড়াই করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল:

"আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।" এই পঙ্ক্তিগুলোতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বাঙালি জাতির ভালোবাসা ফুটে উঠেছে। এই পঙ্ক্তিগুলো বাঙালিদের মনে তাদের মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা জাগ্রত করেছিল। "ও মা, হে মা, তোর বক্ষে আজি জন্মেছি আমি। তোর চরণেতে লুটাইয়া পড়ি, আমার মাতৃভূমি।" এই পঙ্ক্তিগুলোতে বাঙালি জাতির মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। এই পঙ্ক্তিগুলো বাঙালিদের মনে তাদের মাতৃভূমির প্রতি কর্তব্যবোধ জাগ্রত করেছিল। "একদিন তোর হবে শোভা, একদিন তোর হবে মালা গানে গানে।" এই পঙ্ক্তিগুলোতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে। এই পঙ্ক্তিগুলো বাঙালিদের মনে তাদের স্বাধীনতা অর্জনের প্রত্যয় জাগ্রত করেছিল।


গানটির প্রভাব

"আমার সোনার বাংলা" গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই গানটি বাঙালিদেরকে যুদ্ধে লড়াই করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য একটি প্রতীক হয়ে ওঠে। এই গানটি আজও বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ঐতিহ্য, এবং সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। এই গানটি বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ঐতিহ্য, এবং সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে।


বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কবিতা। এই কবিতাটি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় রচিত হয়েছিল। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গীত হয়ে ওঠে। এই গানটিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বাঙালি জাতির ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই গানটি বাঙালিদের মনে তাদের মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও সংহতি জাগ্রত করে।


বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও ঐতিহ্যের প্রতীক

"আমার সোনার বাংলা" গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই গানটিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে। এই গানটি বাঙালিদের মনে তাদের স্বাধীনতা অর্জনের প্রত্যয় জাগ্রত করে। এছাড়াও, এই গানটিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বাঙালি জাতির ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই গানটি বাঙালিদের মনে তাদের মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও সংহতি জাগ্রত করে।


বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা। এই গানটি বাঙালিদেরকে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রাণিত করে। এই গানটিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বাঙালি জাতির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি, এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে। এই গানটি বাঙালিদের মনে তাদের মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও সংহতি জাগ্রত করে। এই ভালোবাসা ও সংহতি বাঙালিদেরকে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রাণিত করে। "আমার সোনার বাংলা" গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই গানটি বাঙালিদেরকে যুদ্ধে লড়াই করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য একটি প্রতীক হয়ে ওঠে। এই গানটি আজও বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ঐতিহ্য, এবং সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। এই গানটি বাঙালিদেরকে তাদের মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা ও কর্তব্যবোধ জাগ্রত করে। এই ভালোবাসা ও কর্তব্যবোধ বাঙালিদেরকে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রাণিত করে।


গানটির কিছু নির্দিষ্ট পঙ্ক্তি যা বাঙালিদেরকে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রাণিত করে:

"চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।"এই পঙ্ক্তিগুলোতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বাঙালি জাতির ভালোবাসা ফুটে উঠেছে। এই পঙ্ক্তিগুলো বাঙালিদেরকে তাদের মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা ও আবেগ অনুভব করতে সাহায্য করে। এই ভালোবাসা ও আবেগ বাঙালিদেরকে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রাণিত করে।"ও মা, হে মা, তোর বক্ষে আজি জন্মেছি আমি। তোর চরণেতে লুটাইয়া পড়ি, আমার মাতৃভূমি।"এই পঙ্ক্তিগুলোতে বাঙালি জাতির মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। এই পঙ্ক্তিগুলো বাঙালিদেরকে তাদের মাতৃভূমির প্রতি কর্তব্যবোধ অনুভব করতে সাহায্য করে। এই কর্তব্যবোধ বাঙালিদেরকে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রাণিত করে।"একদিন তোর হবে শোভা, একদিন তোর হবে মালা গানে গানে।"এই পঙ্ক্তিগুলোতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে। এই পঙ্ক্তিগুলো বাঙালিদেরকে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রাণিত করে।


বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা। এই গানটি বাঙালিদেরকে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রাণিত করে। এই গানটিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বাঙালি জাতির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি, এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে। এই গানটি বাঙালিদের মনে তাদের মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও সংহতি জাগ্রত করে। এই ভালোবাসা ও সংহতি বাঙালিদেরকে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রাণিত করে। "আমার সোনার বাংলা" গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই গানটি বাঙালিদেরকে যুদ্ধে লড়াই করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য একটি প্রতীক হয়ে ওঠে। এই গানটি আজও বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ঐতিহ্য, এবং সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। এই গানটি বাঙালিদেরকে তাদের মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা ও কর্তব্যবোধ জাগ্রত করে। এই ভালোবাসা ও কর্তব্যবোধ বাঙালিদেরকে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রাণিত করে।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ সচিবালয় সহকারী সচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব ও উপসচিব প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এসোসিয়েশন বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা। নং-বাসপ্রবাকস/দাবী/২০২৪-০৪ প্রেস রিলিজ তারিখ: ১৯-০৮-২০২৪ খ্রিঃ জাতীয় পে কমিশন বাস্তবায়নের পর নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ সকল দ্রব্যের মূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধির ফলে ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে যাওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আর্থিক দিক বিবেচনা করা হয়নি। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বর্তমান দূরবীস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার লক্ষ্যে দাবী বাস্তবায়নের দাবী জানান। সহকারী সচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব ও উপসচিব এসোসিয়েশনের পক্ষ হতে আহবায়ক জনাব মো: আবদুল খালেক, বাংলাদেশ সচিবালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসোসিয়েশন পক্ষ হতে আহবায়ক মো: হান্নান সরদার এবং সদস্য সচিব মুহাম্মদ মাহে আলম এবং বাংলাদেশ সচিবালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এসোসিয়েশন পক্ষ হতে আহবায়ক মো: গোলাম রাজ্জাক এবং সদস্য সচিব মোহা: সালাহউদ্দীন সংগঠনের পক্ষ হতে ১০ দফা দাবী অর্থ সচিব এবং জনপ্রশাসন সচিবের নিকট পেশ করেন। দাবী পেশকালে উপস্থিত ছিলেন সর্বজনাব ১. মো: আবদুল খালেক ২. নাজমুল হক ৩. আ: মোতালেব ৪. নজরুল ইসলাম ৫. সুলতান আহমেদ ৬. কামাল হোসেন ৭. মো: হাছান সরদার ৮. মুহাম্মদ মাহে আলম ৯. মো: গোলাম রাজ্জাক ১০. মোহা: সালাহউদ্দীন ১১. গাজীউর রহমান ১২.মো: জসিম, ১৩. আফছার হোসেন ১৪. মাজহারুল হক ১৫. আ: হাই হাবিব ১৬. মোফাজ্জেল হোসেন ১৭. শামীম হোসেন ১৮. হাবিবুর রহমান ১৯. মো: বুলবুল আহমেদ ২০. জাহেদা খাতুনসহ আরো অনেকে। দাবিগুলো: (১) পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতির ব্যবস্থা গ্রহণ; (২) সচিবালয় নিয়োগ বিধি মোতাবেক সহকারী সচিব পদে চাকরি ৫ বছর পূর্তিতে সিনিয়র সহকারী সচিব এবং সিনিয়র সহকারী সচিব পদে ৩ বছর পূর্তিতে উপসচিব পদে পদোন্নতি প্রহান; (৩) চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের চাকরিতে পুন: বহাল; (৪) সহকারী সচিব পদে পদোন্নতিপাওয়ার পর ৭৫% টাকার সুবিধা ও পে ফিক্সেশন বেনিফিট পূর্বের ন্যায় পুন: বহাল। (৫ ) জাতীয় পে স্কেল ঘোষণা ও বাস্তবায়ন করতে হবে; (৬) প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদেরকে উপ সহকারী সচিব পদ নাম প্রদান পূর্বক প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা পদে উন্নীতকরন; ৭) পেনশন ১০০% এবং পেনশন গ্র্যাচ্যুইটি ১.৫০০/- টাকা নির্ধারণ; ( (৮) পূর্বের ন্যায় টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পূন: বহাল করতে হবে; (৯) বেতন গ্রেড ২০ ভাগের পরিবর্তে ১০ ভাগে নির্ধারণ ও (১০) রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েট ন্যায় সচিবালয়ে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মরারীদের ২০% সচিবালয় ভাতা প্রদান করতে হবে

সর্বশেষ

পোস্টের ছবি

ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থেকে তাদেরকে সাহায্য ও সহায়তা প্রদানের অনরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস এসোসিয়েশন

পোস্টের ছবি

বাংলাদেশ সচিবালয় সহকারী সচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব ও উপসচিব প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এসোসিয়েশন বাংলাদেশ

পোস্টের ছবি

বাংলাদেশ সচিবালয় সহকারী সচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব ও উপসচিব প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এসোসিয়েশন বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা। নং-বাসপ্রবাকস/দাবী/২০২৪-০৪ প্রেস রিলিজ তারিখ: ১৯-০৮-২০২৪ খ্রিঃ জাতীয় পে কমিশন বাস্তবায়নের পর নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ সকল দ্রব্যের মূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধির ফলে ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে যাওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আর্থিক দিক বিবেচনা করা হয়নি। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বর্তমান দূরবীস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার লক্ষ্যে দাবী বাস্তবায়নের দাবী জানান। সহকারী সচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব ও উপসচিব এসোসিয়েশনের পক্ষ হতে আহবায়ক জনাব মো: আবদুল খালেক, বাংলাদেশ সচিবালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসোসিয়েশন পক্ষ হতে আহবায়ক মো: হান্নান সরদার এবং সদস্য সচিব মুহাম্মদ মাহে আলম এবং বাংলাদেশ সচিবালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এসোসিয়েশন পক্ষ হতে আহবায়ক মো: গোলাম রাজ্জাক এবং সদস্য সচিব মোহা: সালাহউদ্দীন সংগঠনের পক্ষ হতে ১০ দফা দাবী অর্থ সচিব এবং জনপ্রশাসন সচিবের নিকট পেশ করেন। দাবী পেশকালে উপস্থিত ছিলেন সর্বজনাব ১. মো: আবদুল খালেক ২. নাজমুল হক ৩. আ: মোতালেব ৪. নজরুল ইসলাম ৫. সুলতান আহমেদ ৬. কামাল হোসেন ৭. মো: হাছান সরদার ৮. মুহাম্মদ মাহে আলম ৯. মো: গোলাম রাজ্জাক ১০. মোহা: সালাহউদ্দীন ১১. গাজীউর রহমান ১২.মো: জসিম, ১৩. আফছার হোসেন ১৪. মাজহারুল হক ১৫. আ: হাই হাবিব ১৬. মোফাজ্জেল হোসেন ১৭. শামীম হোসেন ১৮. হাবিবুর রহমান ১৯. মো: বুলবুল আহমেদ ২০. জাহেদা খাতুনসহ আরো অনেকে। দাবিগুলো: (১) পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতির ব্যবস্থা গ্রহণ; (২) সচিবালয় নিয়োগ বিধি মোতাবেক সহকারী সচিব পদে চাকরি ৫ বছর পূর্তিতে সিনিয়র সহকারী সচিব এবং সিনিয়র সহকারী সচিব পদে ৩ বছর পূর্তিতে উপসচিব পদে পদোন্নতি প্রহান; (৩) চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের চাকরিতে পুন: বহাল; (৪) সহকারী সচিব পদে পদোন্নতিপাওয়ার পর ৭৫% টাকার সুবিধা ও পে ফিক্সেশন বেনিফিট পূর্বের ন্যায় পুন: বহাল। (৫ ) জাতীয় পে স্কেল ঘোষণা ও বাস্তবায়ন করতে হবে; (৬) প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদেরকে উপ সহকারী সচিব পদ নাম প্রদান পূর্বক প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা পদে উন্নীতকরন; ৭) পেনশন ১০০% এবং পেনশন গ্র্যাচ্যুইটি ১.৫০০/- টাকা নির্ধারণ; ( (৮) পূর্বের ন্যায় টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পূন: বহাল করতে হবে; (৯) বেতন গ্রেড ২০ ভাগের পরিবর্তে ১০ ভাগে নির্ধারণ ও (১০) রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েট ন্যায় সচিবালয়ে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মরারীদের ২০% সচিবালয় ভাতা প্রদান করতে হবে

পোস্টের ছবি

বাংলাদেশ সচিবালয় সহকারী সচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব ও উপসচিব প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এসোসিয়েশন বাংলাদেশ

পোস্টের ছবি

নারীকে গিলে খেলো কুমির, পেট কেটে বের হলো ছিন্নভিন্ন দেহ

পোস্টের ছবি

অরিজিতের হুঁশিয়ারিকে সমর্থন জানালেন রূপম

পোস্টের ছবি

‘লড়াই ব্যর্থ হলে মৃত্যু ছাড়া কোনো বিকল্প রাখতো না’

Link copied